বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৩

পাছু'র যেমন বিষফোঁড়া

পাছু'র যেমন বিষফোঁড়া 
আওয়ামীলীগ'এর তেমন রনি 

আমি কিন্তু আমি না

কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের এক লোক না। 
এরশাদ, জনি ডেপ আর সালমান খান আসলে এক লোক। 
বঙ্গবন্ধু আর শেখ মুজিবুর রহমান এক লোক না। 
শেখ হাসিনা আর খালেদা জিয়া আসলে জমজ বোন, শুধু দেখতে দুই রকম। 
গোলাম আজম ছিলেন ওসমানীর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক অ্যাডভাইজার। 
অনন্ত জলিল আর সাকিব খান আসলে এক লোক। 
আমি আর রাজীব হাসান চৌধুরী এক লোক না।

আমি কিন্তু আমি না। আমার আসল নাম হইলো ...... (এটাও নাহয় আপনারাই বলেন... সব তো আপনারাই জানেন ... ) 

হইসে?
খুশি?
নাচি এইবার?  

রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৩

সে পাছু আবার পাছু নাকি, যে পাছু ব্যথা সইতে না পারে!

মোটামুটি ৩ সপ্তাহ সাইকেল চালানোর ব্যালেন্স শীট: 
----------------------------------------------------

উপকারিতা:

১। ফিজিক্যালি আগের থেকে অনেক ফিট লাগে। প্রথম দিকে ৫/৬ কিলোমিটার চালাতে হালুয়া টাইট হলেও এখন ২৫/৩০ কিলোমিটার কুনো ব্যাপারই না :) [রেফারেন্স: এন্ডোমোন্ডো]
২। মোটাত্ব মনে হয় কিছুটা কমেছে। প্যান্ট একটু ঢিলা হয়। আট লিস্ট আমার তাই মনে হয়। 
৩। অবরোধের কারণে যেহেতু গাড়ি বের করতে পারতাম না এবং সিএনজিতেই যাতায়াত করতে হতো, সুতরাং সিএনজি ভাড়া হিসাব করলে মিনিমাম  হাজার পাঁচেক টাকা তো অবশ্যই সেইভ করেছি।
৪। অনেকগুলি নতুন গলি চিনেছি। অনেকগুলি পুরানো গলিতে নতুন করে ঢুকে নস্টালজিক ফীলিংস পেয়েছি। 
৫। রাতে এখন সলিড ঘুম হয়। আমি এখন মরার মত ঘুমাই, অথচ আগে আমার ঘুম প্রচন্ড পাতলা ছিল। 
৬। অ্যাবসলিউট স্বাধীনতা (বিবাহিতরা বুঝবেন ইহার মর্ম)। ঘন্টাখানেকের জন্য আমি শুধুই আমার। আহা। মোবাইল ফোন না ধরলেও অব্যর্থ এক্সকিউজ: "সাইকেল চালাচ্ছিলাম বেইবি, ইউ নো - টকিং অন সেলফোন হোয়াইল সাইক্লিং ইজ ভেরি ডেঞ্জারাস।"

প্রবলেম: 

১। একা একা সাইকেল চালাতে ভাল্লাগে না। ২/১ জন বন্ধু সাথে থাকলে অবশ্য হেভি জোশ লাগে। এখনও সুন্দরী বাইকার'দের সাথে রাইড দেয়া হয়নাই। অপেক্ষায় আছি। 
২। এইটা একটা ইউনিক প্রবলেম। যারা আমার মত সুস্বাস্থের অধিকারী, তারা এটা ভালো বুঝবেন। ইন না করে ছোট ঝুলের টিশার্ট বা শার্ট পরলে পিছন থেকে কাপড় উঠে পাছুর সিঁথি দেখা যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে। 
৩। সাইকেলের সীটটা বড়ই রসকষহীন; অনেক শক্ত। বেশিক্ষণ চালালে পাছুতে ব্যথা লাগে। গদি লাগানো সীট পাওয়া গেলে কিনে ফেলবো ভাবছি। 

অভিজ্ঞতালব্ধ উপদেশ:

পাছু-বিষয়ক ব্যাপারগুলিকে বেশি ইম্পর্টেন্স না দিয়ে, আমার মতে মোটা-চিকন-ব্যাঁকা-সোজা-লম্বা-খাটো সবারই সাইক্লিং শুরু করে দেয়া উচিত। 

সে পাছু আবার পাছু নাকি, যে পাছু ব্যথা সইতে না পারে!

বব মার্লে - তুমি গুরু ব্যাপক বুদ্ধিমান

বব মার্লে - তুমি গুরু ব্যাপক বুদ্ধিমান 
---------------------------------------


মাথা চাপড়াই 
গাল থাপড়াই 
দু'কলম লিখতে 
কত করি ট্রাই! 

লাভ হয় নাই; 
ম্যাডাম আর আপা নিয়ে 
কোনো কবিতাই 
যুতসই হয়নাই 

(অথচ)...

চাক্ষুষ না দেখেই, 
যন্ত্রণা না মেখেই,  
সোজা বুল্স আই !!! 
ইন পেত্থম ট্রাই !!! 

আমাগো মনের কথা 
ক্যামনে বুঝলা তুমি 
ক্যামনে লিখলা "নো
ওম্যান নো ক্রাই"

ওহে বব মার্লে
কি করে পারলে গো
কি করে পারলে???

শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

এক ফোটা কমেডি

জঘন্যরকম বাজে, নোংরা, অশ্লীল, রক্তারক্তিতে ভরপুর মারদাঙ্গাপূর্ণ এফডিসি মুভির মধ্যে এরশাদ হলো জাস্ট এক ফোটা দিলদার-টাইপ কমেডি। আর আমরা হলাম সেই সহজ-সরল কাজের বুয়া-টাইপ দর্শক যারা টিভি সেটের সামনে বসে ওই এক ফোটা কমেডি দেখেই হেসে কুটিকুটি হচ্ছি।

বাকি মুভির পঁচা গন্ধ যেন আমাদের নাকেই পৌছাচ্ছে না!!! 

[বাই দা ওয়ে, আমিও কিন্তু এই অশিক্ষিত দর্শক-কুলেরই একজন। 

মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৩

জীবন যেখানে পোলটিময়, নামে কি বা আসে যায়!

ছোটবেলায় ... 
"এই ছেলে, কি নাম তোর?" 
"এর-শাদ"

কিছুক্ষণ পর ...
"এই, তোর নাম যেন কি বলসিলি?"
"ওর-শাদ" 

আরো কিছুক্ষণ পর ... 
"ধুরো, তোর নামটা আবার ভুলে গেসি, কি যেন বল্সিলি?"
"তার-শাদ"
"এহ্হ, একটু আগে না অন্য নাম কইসিলি?" 
"জ্বি স্যার, একটু আগে আমি 'এর" ছিলাম, তারপর 'ওর' হইসিলাম, এখন 'তার' হইসি। 
"মাইর চিনোস? নাম আবার পাল্টায় ক্যামনে?"
"স্যার ... জীবন যেখানে পোলটিময়, নামে কি বা আসে যায়!!!"

"ফাতরামি করোস ব্যাটা। ঠিকমত নাম ক।"
"কার-শাদ লেখেন স্যার। এই মোমেন্টে যে আমি কার, সেইটা নিয়া একটু কনফিউজড আছি।" 

রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৩

জয়তু টকশো

"পাইসে রেএএএ, বদমাইশটারে আজকে মাইনকাচিপায় পাইসে। আজকে শালা'রে কোপায়া ভাঁজ করে ফেল। দে দে, আরো দে, কোপা শালারে।" 
---- জ্বি না, এটি রেসলিং দেখতে থাকা কোনো উত্তেজিত দর্শকের হুঙ্কার না। 

"শিট ... এইটা তো এক্সপেক্ট করি নাই। পুরাই তো ঘটনা উল্টায়া দিল। খেলা জইমা গেসে রেএএ ... পুরাই টেনশন হয়ে গেল ... "
---- জ্বি না, এটি ক্রাইম থ্রিলার দেখে নখ কামরাতে থাকা কোনো মনোযোগী দর্শকের কমেন্ট না। 

"ওরে বাবারে, এই মহিলা তো মহা ডেঞ্জারাস। কুটনামির উপর নোবেল পুরস্কার থাকলে, এই মহিলা কনফার্ম নোবেল পাইতো। কি নাদান চেহারা, কিন্তু পেটে পেটে কি শয়তানি বুদ্ধি রে ... "
---- জ্বি না, এটি "কাহানি ঘর ঘর কি" বা "রাশি" দেখতে থাকা কোনো খালাম্মার অবাক-আত্মোপলব্ধি নয়। 

"ওহ গড ... বন্ধ কর রে ভাই, আর নিতে পারতেসি না। এত রাতে এইসব দেখলে ঘুম হবে? স্বপ্নের মধ্যেও তো এদের প্রেতাত্মারা এসে গলা চেপে ধরবে!!!"
---- জ্বি না, এটি মাঝরাতে হরর মুভি দেখতে থাকা কোনো দুর্বলচিত্ত দর্শকের আকুতি নয়। 

"হা হা হা, হো হো হো, ওরে কেউ আমারে ধর ... আমারে মাইরালা .. আমারে এক্কেরেজিন্দাপুইত্তালা ... ওরে সাগোল, থাম তুই, হাসাইতে হাসাইতে পেট ফাটায়া ফেলবি নাকি? ওহ ওহ .. হা হা হা .. হো হো হো ... "
---- জ্বি না, এটি "মিস্টার বিন" দেখতে থাকা কোনো মোটাসোটা কিউট ভদ্রলোকের ভুড়ি-কাঁপানো আবদার নয়। 
.
.
.
.
.
.
.
বিলিভ ইট অর নট, প্রতি রাতে বিভিন্ন চ্যানেলের টকশো'গুলো সিঙ্গেলহ্যান্ডেডলি আমাদের এত্তোগুলা ইমোশন উপহার দিয়ে যাচ্ছে। 

হ্যাট্স অফ। জয়তু টকশো।